"আমার নিজের চিকনগুনিয়ায় ভুগা অবস্থার পান করেছিলাম এবং আরও অনেককেই অনুরূপ চিকিৎসা দিয়েছিলাম, তারা সবাই উপকৃত হয়েছেন।তবে পেঁপে পাতার র স বা সিদ্ধ পানি পান করায় কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। " লিখেছেন অধ্যাপক ডা. মহাদেব
"অবহেলায় বেড়ে উঠা মেধাবী মানুষগুলো আর্থিক নিরাপত্তা হীনতায় ৩৫ থেকে ৩৭ বছর পার করে দেয়। নিজ পেশার অগ্রজদের কাছ থেকে নিরপেক্ষ ও প্রাণদায়ী প্রেরনা পায় না।যোগ্যতা অর্জনের সময় সহানুভূতি পায় খুব কম ডাক্তার।"লিখেছেন ব্রিগেডিয়ার ডা.
আমরা চাই যে আদালত চিকিৎসাপেশাকে দুর্বৃত্তের পেশা বলেছে সেই আদালাত একদিন এই পেশাকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেবে। এবং এ জন্য চিকিৎসকদের পেশার প্রতি আরো আন্তরিক হতে হবে, রোগীর সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।লিখেছেন মিহির
কেন এই মেডিকেল ছাত্রীরা আত্মহত্যা করল। দায়ী কে! লিখেছেন অধ্যাপক ডা. মুজিবুল হক
একটি প্রশ্ন। সহসা মেলেনা উত্তর। এই প্রশ্নের সঙ্গে জড়িয়ে কত বঞ্চনা ও দীর্ঘশ্বাস;কষ্ট। লিখেছেন ডা.ছাবিকুন নাহার
"মাত্র কয়েক লাইনের ছোট্ট একটি শ্লোক। কোনভাবেই মুখস্থ করতে পারছিলাম না। ছোট একফালি পাতলা ফিতার মত চওড়া (About 5x1cm) কাগজে শ্লোকটা কুটিকুটি (খুব ছোট ছোট অক্ষরে) করে লিখে পকেটের এক কোনায় গুঁজে রেখেছিলাম।"তারপর অমর শিক্ষা। লিখেছ
ছোট্ট রাসেলের শেষ আকুতি টলাতে পারেনি খুনীদের মন। লিখেছেন ডা. কামরুল হাসান সোহেল
বাঙালীর স্বপ্নদ্রষ্টা ও বাংলাদেশের জন্মদাতা বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু দিবসে শোকাঞ্জলি । লিখেছেন ডা. কামরুল হাসান সোহেল
‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই...’। এই গান নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গীতিকার হাসান মতিউর রহমান ও সুরকার মলয় কুমার গাঙ্গুলী দুজনই আবেগাপ্লুত হলেন।
পায়ে হাঁটার জুতো, হাতে জলের বোতল। খুব বেশি দরকারে যোগাযোগের জন্য সেল ফোন। এই তিনটা জিনিস যথেষ্ট। হাঁটুন, ধীরে লয়ে হেঁটে হেঁটে আকাশ টা দেখুন। গাছের আড়াল গলে চিরল পাতার ফাঁকে ফাঁকে রোদের ঝিলিক। লিখেছেন সামিয়া কালাম
হঠাৎ রক্তের প্রয়োজন হলো। রক্ত আনতে সময় লাগবে। নিজেই ওটির পাশের রেস্ট রুমে শুয়ে পড়লাম। রক্ত ড্র করলেন আমাদেরই আরেকজন। এমন কত বার! কতশত ডাক্তার একই কাজ করেন। মূলত ইন্টার্ণের সময় তো অহরহ।এই গল্পগুলো করতে চাইনা। অহং প্রকাশ পায় বল
জিজ্ঞেস করলামঃ --রোগীর নাম কি? --পিঁপড়া... --কি বললেন? --পিপীলিকা স্যার.... --রোগীর নাম পিঁপড়া? --জ্বে স্যার, ভালো নাম পিপীলিকা.... বিস্তারিত সেই অবিশ্বাস্য কাহিনি। লিখেছেন ডা.জামান অ্যালেক্স
এই বাংলাদেশেই শিশু রোগীদের ব্যয়বহুল চিকিৎসার টাকা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরাই । এ নিয়ে দেশের মিডিয়াগুলো কোনরকম প্রতিবেদন না করলেও কল্যান ও মানবসেবা থেমে নেই।
"এবারের স্বাস্থ্য খাতে জিডিপি অনুপাতে বরাদ্দ দাড়িয়েছে শুন্য দশমিক ৯২ শতাংশ। জনপ্রতি ৪ টাকা মাত্র। সারা দেশের মানুষ একটা করে কৃমির বড়ি খেলেই স্বাস্থ্য খাতের বাজেট শেষ। "লিখেছেন অধ্যাপক ডা. মুজিবুল হক
বাংলাদেশের নার্স ও স্বাস্থ্য সেবক সেবিকাদের মান কেমন ! নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) তন্দ্রা শিকদার জবাব দিচ্ছেন ।
অনন্ত অশ্রুধারার যবনিকাপাত । লিখেছেন ডা. জামান অ্যালেক্স
"সবাই মজা নিচ্ছেন। সব কাজ তাহলে বাচ্চাদের। তো এই দেশে সরকার, দুদক, মন্ত্রী, পুলিশ এদের কাজ কি? আপনিও তো একটা দায়িত্বে আছেন নাকি? আপনার কাজটা আপনি ঠিকমত করতেছেন তো?"লিখেছেন ডা.গুলজার হোসেন উজ্জ্বল
"কিন্তু সাবধান। সামান্য ভুলে অনেক বড় অর্জন হারিয়ে যেতে পারে। তাই এই আন্দোলনে কোন ভুল করা যাবেনা। ভুল হলেই যে আমাদেরকে আধারে আবার পথের দিশা খুজতে হবে।" লিখেছেন চট্টগ্রামের বিএমএ নেতা ডা.এস এম মুইজ্জুল আকবর চৌধুরী
একটি শ্লোগান খুবই জরুরি মনে করছি - জন প্রতিনিধিদের সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন গন পরিবহনে যাতায়াত করতে হবে ৷ এর সঙ্গে আমি যোগ করতে চাই,আরও একটি দাবি: লিখেছেন প্রফেসর ডা. মো. তাজুল ইসলাম
"গত শুক্রবার। যতটা নয়, তারচেয়ে বেশি উৎকন্ঠা নিয়ে এক দম্পতি ঢুকলেন। মধ্য তিরিশের। দুজনই বেশ লম্বাটে। পোষাক যদি স্বচ্ছলতার মাপকাঠি হয় তবে এরা স্বচ্ছল। তবে খুব অস্থিরতা চোখে মুখে লেগেছিলো। - কি সমস্যা? - ম্যাডাম বাচ্চা নষ্ট