ডাঃ জোবায়ের আহমেদ লিখেছেন, আপনি কি গিনিপিগ?? এখন একজন ডাক্তার ফেসবুকে এসে একটা মেডিসিন খেতে বললেই আপনি অন্ধের মত গিলা শুরু করবেন? কবিরাজি করতে যদিও এসব কিছু লাগে না কিন্ত মেডিকেল সায়েন্স তো কবিরাজি নয়।।
অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী লিখেছেন, করোনার চিকিৎসায় সর্বশেষ কিছু বৈজ্ঞানিক ও ক্লিনিক্যাল সুসংবাদ নিয়ে
তারানা হালিম লিখেছেন, জরুরী অবস্থা ঘোষণা করে ৩ মাস পর ধীরে ধীরে অবস্থা দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া যেত না? আমি ডাক্তার নই কিন্তু বুঝে চুপ থাকা হয় না, এটা আমার দোষ এবং এই দোষ আমার গর্ব। এত মৃত্যু দেখে চুপ থাকতে পারছি না। Brazil
ডা. হৃদয় রঞ্জন রায় লিখেছেন, আমেরিকা, বৃটেন, ইটালিসহ অনেক উন্নত দেশ যখন কোভিড-১৯ মোকাবেলায় হিমসিম খাচ্ছে তখন ডা. কোচার নেতৃত্বে তুর্কী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এক অসামান্য, দৃষ্টান্তমূলক এবং অনুসরনীয় সাফল্যের নজীর স্থাপন করেছে। ডা.
জম্মু ও কাশ্মীরের কাটরায় কোয়ারান্টিন সেন্টারে থাকা অন্তত ৫০০ মুসলিমের জন্য সকাল-সন্ধ্যায় সেহরি এবং ইফতারির ব্যবস্থা করছেন এক মন্দির কর্তৃপক্ষ । উপমহাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মের নামে হানাহানির ঘটনার মাঝে সাম্প্রদায়িক সম্প্রী
ডাঃ জোবায়ের আহমেদ লিখেছেন , আপনার হাজার হাজার কোটি টাকা। টাকার পাহাড় আপনার ও আপনার পরিবারের। ধরাকে সরা জ্ঞান করতে পারেন টাকা দিয়ে। টাকার দাপটে বাঘ মহিষকে এক ঘাটে জল খাইয়েছেন। আজ আপনি আইসিইউ তে একটা বেড পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা।
জীবনরক্ষার জীবনকর্মী চিকিৎসকদের জীবন এমনই। করোনা ফাইটার চিকিৎসক সাবরিনা শাহরিন । মায়ের জন্মদিনে বাসা থেকে নিজেই কেক তৈরী করে এনেছে নিসর্গ তার মায়ের জন্য। ছেলের আবদার মেটাতে ডা. সাবরিনা নিজের জন্মদিনের কেকটি কাটলেন রাস্তায় । স
আমরা অক্সফোর্ডের অধ্যাপক সারা গিলবার্টকে চিনি কিন্তু ঘরের কীর্তিমান বিজন কুমার শীলকে চিনি না। অথচ সারা গিলবার্টের ট্রায়ালে থাকা ভ্যাকসিনের চেয়ে তাঁর উদ্ভাবিত করোনা শনাক্তকরণ কিট এ মুহূর্তে মানব জাতির জন্য কোন অংশে কম গুরুত্বপ
১৬টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক ডাঃ ফাহিম ইউনুস, মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগীয় প্রধান সংক্রামক রোগ ক্লিনিক, আমেরিকা।
বাংলাদেশী এক ডাক্তারের, বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত ইউ এস সিটিজেনকে কোভিড ১৯ থেকে বাচিয়ে তুলে; নিজেকে হারিয়ে ফেলার গল্প। লিখেছেন ডাঃ অধ্যাপক ডালিয়া সৈয়দা
অধ্যাপক ডা. সেজান মাহমুদ লিখেছেন , আইভারমেক্টিন/ইভারমেক্টিন এবং ডক্সিসাইক্লিন ওষুধ নিয়ে পত্রিকায় গয়রহ সংবাদ পরিবেশন করেন অনেকে। শিরোনামগুলো এরকম ছিল- " দেশে করোনা চিকিৎসায় বড় সাফল্য, দুটি ওষুধের সম্মিলিত ব্যবহারে তিনদিনে ৫০%
ডা. অসিত মজুমদার লিখেছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ সময়কালীন নিজের জীবনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও হাসপাতালের ফ্লু ইউনিটে ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করেন ডা. সেতু । তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন। বর্তমানে তিনি কর
ডা. গুলজার হোসেন উজ্জ্বল লিখেছেন, রাজধানীর মহাখালিতে অবস্থিত ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (সাবেক আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতাল) একটি ভাল উদ্যোগ নিয়েছে। দুই মাস আগে থেকেই তারা পৃথক ক্যাম্পাসে একটি পূর্ণাংগ কোভিড হাসপাতাল চালু
অসহায় রোগীদের জীবনদাতাসম চিকিৎসকরা করোনাকালে সবচেয়ে বেশী হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তারাই পাচ্ছেন না জরুরি চিকিৎসা। রোগীদের জীবন বাঁচাতে তারা নিজের জীবন বিপন্ন করছেন। সেই তারাই বঞ্চিত ন্যূনতম সুবিধা থেকে।
ইভারমেকটিন ও ডক্সিসাইক্লিন মিলিয়ে ২০/৩০ টাকায় করোনা বিজয় জাতীয় কিছু খবরে মিডিয়া এখন সয়লাব। এ নিয়ে প্রাজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন , বিষয়টি জনস্বার্থের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। লোকজন ওষুধগুলো কিনে জমাচ্ছেন। করোনার নানা টোটকা নিয়ে মিডিয়ার
ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ লিখেছেন , একজন সম্মানীত চিকিৎসক অধ্যাপক উঁকুন মারা ওষুধের সাথে টেট্রাসাইক্লিন যোগ করে ওয়ার্ডে ভর্তি ননসিভিয়ার করোনা রুগি বাঁচিয়ে ফেলেছেন! আর যাই কই! মিডিয়াগুলো এটাকেই বিশাল গবেষণা হিসেবে চালিয়ে দিয়ে বি
রতন টাটার কথায়, 'এটা অত্যন্ত জরুরি সময়। আমাদের সকলের জন্যে এটা অত্যন্ত কঠিন এক চ্যালেঞ্জের সময়।' জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের সাংলিতে ৫০ বেডের বুন্ধনাতে ১০৬ বেডের হাসপাতাল গড়ে তোলা হচ্ছে। আবার উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগরে ১৬৮
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ১১ মে এর তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ৮ টি প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। যার মধ্যে চারটি চিনের।
সারা পৃথিতে যখন ৪৩ লক্ষ মানুষ কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত ও প্রায় তিন লক্ষ মানুষ করোনা মহামারী তে মৃত্যু হয়, ভিয়েতনাম তখন পৃথিবীর প্রথম কোভিডশূন্য দেশ হিসেবে ঘোষনা দেয়। মোট ২৮৮ জন আক্রান্ত হলেও একজনেরও মৃত্যু হয়নি দেশটিতে, আজ শেষ
অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী লিখেছেন , এত বিদ্রুপ , এত অত্যাচার , এত অবিচার এত সামাজিক নিগ্রহ সহ্য করে ডাক্তাররা মানুষকে সেবা দেন । মানুষকে বাঁচিয়ে তোলার কাজ করেন । বাড়ি অলা করোনা রোগীর সেবা দেন বলে বাড়িতে ঢুকতে দেন না , পাড়া ম