ডা. সুব্রত ঘোষ লিখেছেন, কোভিড ১৯ ভাইরাস মোকাবিলার ভ্যাকসিনের খোঁজ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। গোটা বিশ্বের গবেষকরা করোনার প্রতিষেধক তৈরির কাজে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে মারণ ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসায় সবচেয়ে মূল্যবান হাইড্রক্সিক্ল
করোনায় রোগী সেবা করে বাংলাদেশের প্রথম শহিদ হলেন স্বাস্থ্যকর্মী সেলিম আকন্দ । তিনি ছিলেন অকুতোভয় এবং মানবসেবী। ডাক্তার প্রতিদিন টিমের পক্ষ থেকে তার মহাপ্রয়াণে গভীর শ্রদ্ধা। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের পক্ষ থেতেকে প্রবল দা
করোনার জন্য পিপিই নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করেছিলেন একজন পরমবীর বাংলাদেশি ডাক্তার। তারপর নিজেই শহিদ হন এই মহাযুদ্ধে। তিনি হলেন ডা. আবদুল মাবুদ চৌধুরী ফয়সাল। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ২৮ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
চিকিৎসক, নার্স,স্বাস্থ্যকর্মী আর হাসপাতাল হচ্ছে সামনের সারির যোদ্ধা আর যুদ্ধ ময়দান। আসুন, সচেতন হতে যোদ্ধা আর যুদ্ধ ময়দান সম্পর্কে কিছু জানি। করোনা হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার, নার্স অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের রোষ্টার দেখু
ডা.রাজন সিনহা লিখেছেন , স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে সুখের ঘর ডা.আব্দুর রহিমের। সোনামনিরা গত ৪ সপ্তাহ তাদের বাবাকে কাছে পায়না,কোলে ওঠেনা।কলিং বেলের শব্দের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে ওদের দিন রাত পার হয়ে যায়। কিন্তু বাবার সাথে দেখা না
ডা. সুমন হুসাইন লিখেছেন, ডাক্তারদের করোনা ধরে না, ডাক্তারদের ক্লান্তি ধরে না, ডাক্তারদের মা বাবা নেই, সন্তান নেই, আত্নীয় - স্বজন নেই, ডাক্তারদের আবেগ নাই, ডাক্তারদের জীবন ঠিক জীবনের মধ্যে পরে না ! কিন্ত খুব করে চাই, আপনারা এ
বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসাবিদ, অধ্যক্ষ ডা. মওদুদ আলমগীর পাভেল করোনা দুর্যোগে কার্যকরী পরামর্শ দিতে ও দায়িত্ব নিতে ক্যাবিনেট সচিব এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন।
সেরীন ফেরদৌস লিখেছেন, পৃথিবীর বেশিরভাগই যখন কোভিড-১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধির হার থামাতে তুমুল চেষ্টা করছে, তখন কানাডার বৃটিশ কলাম্বিয়া সংক্রমণ বৃদ্ধির হার অর্ধেক কমিয়ে ফেলেছে! ২৪% থেকে তা ১২ শতাংশে নামিয়ে এনে সেটা গত ১ সপ্তাহ যাবত ধর
সংবাদ প্রাপ্তির পর, আর দেরী নয়, যা ছিল আমার বাসায় ও থানার মেসে রান্না করা, ভাত, ডাল, সবজি, টেংরা মাছ, ০২ ( দুই) টি টিফিন ক্যারিয়ারে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে দূর্গম কেচু টিলার এলাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা । রাএ অনুমান ১১ঃ৪০ মিঃ সময়ে আছ
ডা. সুলায়মান রাহাত লন্ডন থেকে জানান,নিজের জীবনের দামে করোনা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করে গেলেনডা. আবদুল মাবুদ চৌধুরী ফয়সাল । মানুষকে বাঁচাতে হুশিয়ার করে নিজেই করোনায় শহিদ হলেন তিনি। মানুষের জীবন রক্ষার তাগিদে লন্ডনে বসে বৃটিশ প
প্রধানমন্ত্রী বরাবরে খোলা চিঠি লিখেছেন ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন ।
ডা.রাজন সিনহা লিখেছেন, এ ১০ জনের সবাই সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক না,আবার সবাই বেসরকারি চিকিৎসকও না।আক্রান্ত সকল চিকিৎসক তার কর্মস্হল থেকে আক্রান্ত হয়েছেন।তার মানে সকলেই অন্যদের কাছ থেকে আক্রান্ত।
মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এর বয়ান: ডাক্তার ও স্বাস্থ্যসেবাকর্মীরা ঈশ্বরের সেবক রূপ। যুদ্ধের ময়দানে কোন জোয়ান মারা গেলে তাকে শহীদের মর্যদা ও পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়। ঠিক একইভাবে সরকারী বা বেসরকারী কোন চি
৭দিন আগে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে ডাক্তারদের পেটানোর জন্য সবাইকে আহবান করেছিলেন তিনি। ৭ দিন পরে সেই কসাইা ডাক্তারদের সেবায় ভক্তিতে গদদগদ। ভুইয়া নামের এই ব্যাক্তি ৭দিন আগে লিখেছিলেন , "অসহায় , গরিব , দিনমজুরদের না পিট
ডা. সুব্রত ঘোষ নানা পেশার লড়াকু সৈনিকদের জানিয়েছেন স্যালুট।
আমার কাছে মনে হচ্ছিলো এটাই তো তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এক লড়াইয়ের কথা লিখেছেন ডাঃ পি, কে, বালা
পরিবারের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল ছবির মানুষটি হলেন ডা. ইফতেখারউদ্দিন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্ক সিটিতে প্রথম বাংলাদেশী ডাক্তারের মৃত্যু...।বিশ্ব ব্যপী করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিউ ইয়র্কে জীবন দিয়ে অমর আত্মত্যাগের নজির রাখলে
তাঁর অধীনে চাকরী করেন প্রায় তিন হাজার শ্রমিক। করোনার তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মার্চ-এপ্রিল দুই মাসের অগ্রিম বেতন দিয়ে, ২৬ মার্চ থেকে ৩৫ দিনের ছুটি দিয়েছেন। অবস্থা স্বাভাবিক না হলে তিনি সবাইকে বিকাশে
প্রধানমন্ত্রী হয়েও করোনা মহামারী কালে রোগীদের জীবন রক্ষায় নিজ পেশায় ফিরে গিয়ে চিকিৎসক হিসেবে বিরল মানবিকতা ও পেশার প্রতি অনন্য দায়বদ্ধতার নজির রাখলেন আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ।
বর্তমান করোনা মারী সঙ্কট থেকে রক্ষায় ১১ দফা জানিয়েছেন ডা. অসিত মজুমদার