সন্তান গর্ভে নিয়েই মিনাল অক্লান্ত পরিশ্রম ও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কোনরকম গাফিলতি করেন নি। তার টার্গেট ছিল মানুষের জন্য , মানবতার জন্য সাফল্য বয়ে আনা। লাখো করোনা রোগীর সেবায় সম্পূর্ণ সফল কিট তৈরী করা। গর্ভের সন্তানের চেয়ে ব
করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ডাক্তারসহ সংশ্লিষ্টরা মারা গেলে কেন জাতীয় বীরের মর্যাদা দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
ডা. সাবিনা ইয়াসমিন মিতু লিখেছেন , আমাদের গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের অফিসাররা কোয়রেন্টাইন সফল করতে কোথাও কোথাও পারছেন । আবার অনেক জায়গায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। ১০০ পারসেন্ট ব্যর্থ। তারা শ্রমিকদের সাথে পারছে । গরিবের সাথে পারছে। ডাক্তারদ
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় টোলার বাগে করোনায় মৃতকে চিকিৎসা দানকারী মহান " ঈশ্বরতুল্য" ডাক্তার হলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী। তিনি চিকিৎসা করতে গিয়ে নিজেই কোয়ারেন্টাইনে
ডাক্তারদের হেনস্থার নিন্দা করে ভারত প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু জায়গা থেকে এই ধরণের খবর এসেছে যা মনে আঘাত দিয়েছে। আমি সমস্ত নাগরিককে আবেদন করছি, যদি কোনও জায়গায় এই ধরণের ঘটনা দেখা যায় যদি আপনারা চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্য-কর্ম
করোনা ভাইরাসের মোকাবেলায় জীবনঝুঁকির অবিরাম লড়াইয়ে শামিল বাংলাদেশের চিকিৎসক সমাজকে সশ্রদ্ধ সালাম জানালেন বিশ্ব খ্যাত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান । অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বাংলাদেশের এই তারকা ক্রিকেটার সাকিব লিখেছেন‘সকল দেশবাসীকে সুর
বাঙালির সনাতনী ৮ পদ্ধতিতেও আছে মহামারী থেকে বাঁচার দারুণ সব উপায় । এসব আচারের পালনে করোনা থেকে মিলবে মুক্তি। তা নিয়ে লিখেছেন শান্তনু সোম । সেই লেখার উল্লেখ যোগ্য অংশ প্রকাশ হল। আজ থেকে বেশ কিছু দশক পিছিয়ে গেলে, যখন ভ্যাকসিন
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় নানা সদুপদেশের প্রচার চলছে। এখানে আছে পাঁচটি কাজ করার পরামর্শ। এরমাধ্যমে নভেল করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকুন। এই গাইডলাইন প্রস্তাব করেছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন। এটা অনুসরণ করতে পারেন। উপকারহবে।
ডা. অসিত মজুমদার লিখেছেন, মা, আমি জানি না এটা আমার লেখা ঠিক হবে কিনা। আমি আশা করি আমার এই লেখা আমার মনের অনুভূতিসহই আপনার মনের মনিকোঠায় পৌঁছুবে। সেই আশাবাদ নিয়েই আমি দেশের এই ক্রান্তিকালে আপনার কাছে আমার অনুভূতি ব্যক্ত করতে চ
ডা: শুভাগত চৌধুরী লিখেছেন, এই দুর্যোগে নাগরিকদের মধ্যে অনন্য সব উদ্যোগ একে মোকাবেলার জন্য । মার্কস স্পেন্সারের স্বপ্না ভৌমিক বুয়েটের কয়েকজন উৎসাহী তরুণদের নিয়ে ডাক্তারদের জন্য পি পি ই তৈরির কাজে নিয়োজিত তারা বিনা মুল্যে দেবেন
করোনা যুদ্ধে শামিল একজন যোদ্ধা চিকিৎসক রঙ্গন। আপন মানুষদেরকে ছেড়ে অন্য শহরে পরে আছে হাসপাতালে। এই শহরে ১৫৭ জন রোগী আছে কোয়ারান্টাইনে। ভয় না পেয়ে ডিউটি করে যাবে ভাবলেও আজকাল ভয় পাচ্ছে সে। মৃত্যুর আতঙ্ক হচ্ছে তার। মন খারাপ লাগ
এক জন উদ্যোগী স্বপ্না মানেই এখন মানুষের জন্য মানুষের পাশে বাংলাদেশ। করোনা মহামারীর মোকাবেলায় বাংলাদেশ বাঁচানোর স্বপ্ন এখন এই স্বপ্না। ডাক্তার-স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বিনামূল্যে ৪ লাখ সুরক্ষাপোষাক বানাচ্ছেন তিনি। তার জন্য সহায়ত
করোনার এই মহামারি থেকে রক্ষা পেতে সরকারের পাশাপাশি আমাদের নিজেদেরও কিছু দায়দায়িত্ব আছে। আগামী দিনে সুস্থ থাকতে সরকারের পাশাপাশি আমরাও কিছু নাগরিক দায়িত্ব পালন করি এবং অন্যকে দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করি। লিখেছেন ডা. অসিত মজুমদা
ডা. সৌমেন চৌধুরীর লেখা - তিনি লিখেছেন, অপরিচিত হানাদার। অনেক কিছুই এখনো অজানা। তবু সেই বহু পুরনো আপ্তবাক্য ভুললে চলবে না। Prevention is better than cure. প্রতিরোধ করুন। প্রতিকার পরের কথা। সতর্ক থাকুন। আতঙ্কে নয়।
বাংলাদেশে , পশ্চিম বাংলায় তথা গোটা ভারতবর্ষে একটাই প্রশ্ন: সামনের দুতিন সপ্তাহ করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এতটা জরুরি কেন? সে বিষয়টি সুললিত ভাষায় ব্যাখ্যা করেছেন প্রখ্যাত লেখক চিকিৎসক সুমিত চট্টোপাধ্যায় ।
পাখি পুষতে খুব ভালবাসত মেয়েটি। খাঁচায় পোরা ছোট ছোট নানা রঙের পাখি। কিন্তু নিজের জীবনটা খাঁচায় পোরা ছিল না। দক্ষিণ দিল্লির মহাবীর কলোনির দু’কামরার নিচু ছাদের ঘরে পাখি পোষার জায়গা কোথায়! তা-ও বাড়ির বড় মেয়ের জন্য আলাদা ঘর বরাদ
আমাদের উপমহাদেশের বিশ্ববন্দিত লোকসেবী চিকিৎসক ডা. দেবী শেঠী পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন , কি কি উপসর্গে করোনাভাইরাস পরীক্ষার কোন প্রয়োজন নেই । এসব সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার দরকার নেই। অনেকেরই প্রশ্ন , একজন হার্ট সার্জন হয়ে দেব
বিপদের মহামারীর দিনে মহাউপকারীর কাজ করেছেন তিনি। ১৭ কোটি মানুষের এই বাংলাদেশে যেখানে করোনা শনাক্ত কীট সংগ্রহ মাত্র হাজার দুয়েক। সেই দু:সময়ে তিনি আবিভৃুত হলেন দেবদূতের মত। মাত্র ২০০ টাকা খরচে করোনা শনাক্ত কীট আবিস্কার করলেন তি
ডা: শুভাগত চৌধুরীর বিনীত অনুরোধ : আবারও বলি , বার বার বলি, যারা বিদেশ থেকে এসেছেন বা আসছেন তাদের উপসর্গ থাক বা না থাক স্বইচ্ছায় ১৪ দিন কোয়ারেনটাইন এ নিজেদের রাখবেন । আমরা এখনও স্থানিক সঙ্ক্রমন পর্যন্ত আছি , লোক সমাজে হয়নি । ত
ডা. দেলোয়ার হোসেন জানান, কোয়ারেন্টাইন এখন বিলাত ফেরত অজ্ঞ শ্রেণীর ছুটির উৎসব। বিয়ে শাদী ও হানিমুন করছেন কোয়ারেন্টাইন পিরিয়ডে।