ডা. লি ওয়েনলিয়াং। এখন বিশ্ব ডাক্তার সমাজের মহান গৌরবের নাম। তার অকুতোভয় সেবার কাজের কাছে সারা বিশ্ব আজ শ্রদ্ধায় অবনত। তিনিই সর্বপ্রথম করোনা ভাইরাস সম্পর্কে চীনা কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেন। কিন্তু তাকে পাত্তা দেয়া হয় নি। বরং পদে
জীবনের জন্য তারা। লাখো মানুষের জীবন বাঁচানোর মহান চিকিৎসক ও সেবা কর্মী তারা। নিজের জীবন তুচ্ছ করে অক্লান্ত পরিশ্রম করে তাদেরও চেহারা হয়ে গেছে করূণ। তবুও তারা থেমে নেই। মানুষ জীবন দানে তারা আত্মদানসহ সর্বাত্মক কাজ করে যাচ্ছেন।
করোনাভাইরাসের বিষয়ে বিশ্ববাসীকে সতর্ককারী সেই চীনা ডাক্তার মারা গেছেন। করোনাভাইরাসের রোগীদের জীবন বাঁচাতে তিনি চীনে হাসপাতালে নিয়োজিত ছিলেন। অক্লান্ত পরিশ্রম, অনন্য সেবার কাজের ধকলে নিজেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। মানবতার মহা
ঢাকা বিমানবন্দরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে অক্লান্ত করছেন ডাক্তাররা। ঘুম নেই । ক্লান্তি নেই। কাজ আর কাজ। হাসিমুখেই কাজ করছেন তারা। এ ব্যপারে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের সহকারী বিমান বন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবীর
ডা. সাঈদ এনাম লিখেছেন সেই মহানায়ককে নিয়ে। জানুয়ারির পর্যন্তও চীনের উহান সিটি কতৃপক্ষ ভয়াবহ করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি গোপন রাখতে চেয়েছিলো। শুধু তাই নয় ডা. লি ওয়েং লিয়াং নামের একজন অপথালমোলজিস্ট ; বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কে হাসপাতা
করোনাভাইরাস সম্পর্কে প্রথম যে চিকিৎসক সতর্ক করেছিলেন, এবার তিনি নিজেই আক্রান্ত হয়েছেন। সবার আগে এই প্রাণঘাতী ভাইরাসটির অস্তিত্ব টের পেয়েছিলেন ও ভয়াবহতা বুঝতে পেরেছিলেন চিকিৎসক লি ওয়েনলিয়াং। এবার তিনিই আক্রান্ত হলেন। শনিবার ডা
সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, যেভাবেই হোক করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করতে হবে। উহান থেকে যে ৩১২ জনকে দেশে আনা হয়েছে, তাদের অবশ্যই ১৪দিন পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে। এ ব্যাপারে কোনও ছাড় নয়।
এইচআইভি আর জ্বরের অ্যান্টি-ভাইরাস নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে তৈরি হয়েছে এক নতুন ওষুধ। আর সেই ওষুধেই কাবু হয়েছে করোনাভাইরাস! সম্প্রতি এমনই দাবি করল থাইল্যান্ড। এই নতুন অ্যান্টি-ভাইরাসের প্রয়োগে মাত্র ৪৮ ঘণ্টাতেই এক রোগী সুস্থও হ
মুক্তিযুদ্ধে হাজারো প্রাণ বাঁচিয়েছেন যে মহান ডাক্তার সেই ডা. রথীন দত্তর প্রতি ডাক্তার প্রতিদিন পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর সম্মান জানাই।
একজন অতি সুন্দরী মহিলা বহু মুল্যবান পরিচ্ছদ পরে তার মনঃচিকিৎসকের কাছে এলেন। বললেন তিনি খুব বিষণ্ণ জীবন তার কাছে অর্থহীন । সেখানে ছিলেন একজন বৃদ্ধা তিনি কিভাবে সুখ খুজে পেলেন তাই জিজ্ঞাসা করতে হল । বৃদ্ধা মহিলা ঝাড়ু দিচ্ছিলেন
‘‘ওই সব খরচ কমাতেই আমরা এই পদ্ধতির উদ্ভাবন করেছি। শুধু তাই নয়, আমাদের বানানো যন্ত্রটি পোর্টেবল। খুব হাল্কা। একটা কম্পিউটার সিডির মতো। আমাদের পদ্ধতিতে রক্তের ওই সব পরীক্ষা করাতে খরচ পড়বে বড়জোর ১০ রুপি।
কোয়াক, নন এমবিবিএস , হোমিওপ্যাথি, ইউনানী, বিভিন্ন ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ান, স্বাস্থ্য সহকারি, বিকল্প মেডিকেলের নামে যারা অকাতরে যথেচ্ছ নামের আগে ডাক্তার লিখে মস্ত সর্বরোগহর ডাক্তারি ব্যবসা ফেঁদে বসেছিলেন, তাতে লাগাম টেনেছেন উচ্চ আ
গরীবের ডাক্তার হিসেবে লোক প্রিয় ডা. লিটুকে নিয়ে অনন্য স্মৃতিকথা লিখেছেন প্রথিতযশ চিকিৎসক ও লেখক ডা. মাহবুবর রহমান । এ লেখায় উঠে এসেছে অনেক সোনালী স্মৃতি । সে সব পাঠকদের কাছে পেশ ও প্রকাশ হল।
ছাপাখানার যন্ত্রে সবে কাগজ ঢুকিয়েছিলেন বছর ঊনচল্লিশের যুবকটি। আচমকাই কাগজ কাটার ছুরি এসে পড়ে তাঁর দু’হাতের কব্জির উপরে। হাতের দিকে তাকিয়ে বেলঘরিয়ার বাসিন্দা শঙ্কর সাহা দেখেন, ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে। চোখের সামনে পড়ে রয়েছে
ডা. সাঈদ এনাম লিখেছেন, ব্ল্যাকবক্স ওয়ার্নিং এমন অনেক ড্রাগ আছে যা আমরা অনেকে প্রতিদিন ঝালমুড়ির মতো খাই। এর মধ্যে একটি হলো সিপ্রোফ্লক্সাসিন। বাজারে ধুমসে বিক্রি হয় এটি। পল্লী চিকিৎসকরা ভাজা চীনা বাদামের মতো যেকোনো ইনফেকশনে মুঠ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, , বিগত ১১ বছরে ২০ হাজার ১০২ জন নতুন চিকিৎসক এবং ২১ হাজার ৬৯৭ জন নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে একটি করে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চতুর্থবা
স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা আইন, ২০১৮ (খসড়া): সমীক্ষণ করে সতর্কতার নানা পয়েন্ট জানালেন সুপ্রীম কোর্ট অব বাংলাদেশ-র এডভোকেট কাজী ওয়াসীমুল হক । তার সমীক্ষণটি গুরুত্বপূর্ণ বিধায় পাঠকদের জন্য প্রকাশ হল। এখানে দীর্ঘ লেখার দ্বিতীয়াংশ
স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা আইন, ২০১৮ (খসড়া): সমীক্ষণ করে সতর্কতার নানা পয়েন্ট জানালেন সুপ্রীম কোর্ট অব বাংলাদেশ-র এডভোকেট কাজী ওয়াসীমুল হক । তার সমীক্ষণটি গুরুত্বপূর্ণ বিধায় পাঠকদের জন্য প্রকাশ হল।
মানসিক রোগের সেরা ডাক্তারকে খুঁজছেন। হ্যাঁ, তিনি আছেন আপনার আমার কাছেই। তার এপয়েন্টমেন্ট পেতে দিল্লী ব্যাঙ্গালুরু যাওয়ার দরকার নেই। তিনি আছেন ঢাকাতেই। তিনি কি শুধু ডাক্তারই। তার সঙ্গে সঙ্গে তিনি লিখে পাঠকদের মনকে জয় করে চলেছে
ডা. জীবন চৌধুরী লিখেছেন, তথাকথিত ‘ভুল চিকিৎসায়’ স্কুল শিক্ষিকার মৃত্যু, তিন চিকিৎসক জেলে । এটা বাংলাদেশেই সম্ভব। কারণ বাংলাদেশ এখন অবাংলাদেশী ডাক্তারদের চিকিৎসা ব্যবসার অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। এজন্য কয়েক দশক ধরে ষড়যন্ত্র হয়েছে।