বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে লিখেছেন অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল পরিচালক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল কথাসাহিত্যিক, সম্পাদক :‘শব্দঘর’ বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের শীর্ষ জনপ্রিয় লেখক
৩৪তম বিসিএসে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারি সার্জন পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি। তারপর ও পথে হাঁটেন নি। হাঁটলেন গরিবের চিকিৎসায়। সে কাজ করে আজ সারা বাংলাদেশে আলোচিত ও লোকপ্রিয় চিকিৎসক হিসেবে সবার নয়নমনি অল্প বয়েসের এই ডাক্তার। নাম ডা.
বয়সকে জয় করতে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা : কী ভাবছেন? অনেক খরচা? ব্যয়ভার বহন করতে পারবেন না? এককাপ কফি পান করতে কত লাগে? ওই দামে এই ওষুধ বাজারে দেয়া হবে। ভাবছেন, পাঁচ বছর তো অনেকটা সময় ! তা ঠিক ! তবে হলোই বা সময় ! ততদিনে না হয়, আপনার
ইত্যাদি " তে সম্প্রচারিত কাইলাকুড়ি হাসপাতাল প্রসঙ্গে-ডা. মো. রাকিবুর ইসলাম কাইলাকুড়ি হেলথ কেয়ার প্রোজেক্ট (KHCP) এ বাংলাদেশের ডাক্তারদের অবদান অনস্বীকার্য ও অবিস্মরণীয়। যারা সেবা দিয়ে গেছেন নিঃস্বার্থভাবে, নিজ উদ্দ্যোগে,দেশ
চিকিৎসক দম্পতি ২৫ বছর আগে এক কুঁড়েঘরে খুলেছিলেন ছোট্ট হাসপাতাল। তারা আকাশ থেকে অবতীর্ণ হন নি, এই মাটিরই মানুষ। আজ পর্যন্ত তাদের হাতে সেবা পেয়েছেন এক লাখেরও বেশী চিকিৎসা বঞ্চিত আদিবাসী। তার কমিয়েছেন শিশু মৃত্যু । বাঁচিয়েছেন মু
হয়ত কারো প্রিয়জন এমনডিমেনশিয়ার শিকার , সেই প্রিয়জন কি বলতে পারে সব কথা ?" স্মরণ কর আমার অতীত , একদিন আমিও ছিলাম সুস্থ , উচ্ছল , প্রানবন্ত , ছিল জীবনে ভালবাসা ,হাসি আর বুদ্ধি দীপ্ত চলা ।"সেই মনের কথাই লিখেছেন অধ্যাপক ডা. শুভাগ
ব্যক্তিগত শোককে মানবকল্যাণে নিবেদনের পথ দেখালেন এক মা। ডেঙ্গিতে মৃত মেয়ের দেহ দান করে দিলেন তিনি। শিক্ষিকার একটি অস্তিত্ব প্রয়াত হলেও আরেকটি অস্তিত্ব চিরঞ্জীব থাকবে চিকিৎসা কল্যাণের ইতিহাসে।
টাঙ্গাইলের মধুপুরের এড্রিক বেকারের বহুল আলোচিত মানবতার হাসপাতালে বিনা বেতনে দীর্ঘ ৪ বছর সেবা দেন বাংলাদেশেরই একজন ডাক্তার। নাম ডা. রাকিবুল ইসলাম রাকিব। বিস্ময়ের ব্যাপার হল এই স্বদেশী লোকসেবীর নাম কোন মিডিয়া কিংবা ইত্যাদিতে আস
কৌশিকবাবুর পরামর্শ নেওয়ার জন্য প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা ভিড় জমায় হাসপাতালে। হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপশি বেশ কয়েকটি দাতব্য চিকিৎসালয়ে গিয়েও চিকিৎসা করেন তিনি। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে ডাক্তারি প
কানাডায় বাঙালি ডাক্তার হিসেবে সবার প্রিয় জহিরুল কাইয়ুম ভুইয়া । সবার গৌরবের ; ছিলেন ভরসার। ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান ডা. কাইয়ুম কাউকে দেখবেন, এ ছিল রোগীর জন্য পরম স্বস্তির। বাংলাদেশের বা ইন্ডিয়ান বাঙালি কমিউনিটিই নয় , তিনি কানাডার সক
ডা. শামসুদ্দিন আহমেদ লিখেছেন, নিউজিল্যান্ডে আরাম আয়েশের জীবন ছেড়ে ডা. এড্রিক বেকার টানা ৩২ বছর টাঙ্গাইল জেলার মধুপুরের কালিয়াকুড়ি গ্রামের দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা দিয়েছেন। তার মহাপ্রয়াণের পর আরেক মানবতাবাদী ডাক্তার দম্পতি জেসি
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসাহিত্যের পথিকৃৎ অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরীর স্বাস্থ্যসাহিত্যের অবদান এখন উপমহাদেশে রেকর্ড তৈরী করেছে। তার লেখা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বইয়ের সংখ্যা এখন ৫৭ টি । উপমহাদেশের চিকিৎসক লেখকদের মধ্যে তিনি সর্বোচ্চ সং
১৫০ জন রােগী আর তার মধ্যে ২০ জন মেয়ে যারা প্রত্যেকে মা হওয়ার অপেক্ষায়।জঙ্গি দুজন একের পর এক ফ্লোর পার করছে। গুলি চালাচ্ছে। গ্রেনেড ছুঁড়ছে। হাড়হিম করা পরিস্থিতি। তাদের প্রাণ বাঁচালেন যারা , সেই কাহিনি।
২৫০০ বেড থেকে ৫০০০ বেডের হাসপাতাল হতে চলেছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। কিছুদিনের মধ্যেই নেয়া হচ্ছে দরকারি উদ্যোগ। এটা হলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাসপাতালের স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে এটি। এজন্য সর্বাত্মক প্রস্তুত কর্তৃপক্ষ।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের বাস্তব ক্রাইম থ্রিলার: সুজানের মৃতদেহের পেট চেরার পরেই একটি অদ্ভুত গন্ধ পেলেন ফরেনসিক মেডিসিনের চিকিৎসক। মাস্ক নামিয়ে ভালো করে গন্ধটা বোঝার চেষ্টা করলেন...সহকারীকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমিও কি গন্ধটা পেয়েছো?" স
কর্কট রোগে আক্রান্ত হয়ে ফোর্থ স্টেজে পৌঁছে গিয়েছিলেন দুইজন। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অংকলজি ডাক্তারদের ম্যাজিকে উধাও হয়ে গেল ফোর্থ স্টেজের ক্যান্সার।
প্রায় ৮০ বছর লোক চিকিৎসা দিয়ে মহাপ্রয়াণে গেলেন উপমহাদেশের যুগন্ধর লোক চিকিৎসক ডা.পঞ্চানন চক্রবর্তী । জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি ছিলেন জীবন্ত কিংবদন্তি। তাঁর হাতে জীবন পেয়েছেন লাখো লাখো রোগী। লোককথা চালু হয়েছিল: যেখানে সক
প্রথম শ্রেনীর সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পেশা জীবন শুরু হল ৪৪৪৩ নবীন ডাক্তারের। ৩৯তম বিসিএসে উত্তীর্ণদের গ্যাজেট প্রকাশিত হয়েছে। মঙ্গলবার১৯ নভেম্বর ২০১৯ দুপুরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ গেজেট দেয় । এটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবস
আজ বিশ্ব টয়লেট দিবস এ হল জীবন রক্ষাকারী কেউ যেন সুষ্ঠু পয়ো: নিষ্কাশন থেকে বাদ না পড়ে । কেন এই পরামর্শ । লিখেছেন অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী
হত দরিদ্র পরিবার থেকে আজকের অবস্থায় এসেছেন ভূবনখ্যাত চিত্রঅভিনেতা নানা পাটেকার । সে কথা ভোলেন নি। কথার কথা নয়।বিলাসী জীবনের প্রোপাগান্ডাও নয়। আক্ষরিক অর্থেই তিনি বিলিয়েছেন জীবনের প্রায় সকল অর্থ উপার্জন। মুম্বাইয়ের সাগর পাড়ের