আসুন মহৎ চিকিৎসা পেশা ধ্বংসের দেশি- বিদেশী চক্রান্তের বিরুদ্ধে সম্মিলিত ভাবে রুখে দাঁড়াই। অবশ্যই, শুরুটা হতে হবে চিকিৎসকদের মাঝখান থেকেই। সাধারণ চিকিৎসক, ড্যাব- স্বাচিপ, বিএমএ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সর্বোপরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণাল
আজ সদ্য পাস করা ডাক্তাররা অভিভাবক হারা! আমরা কি কোন দিনই আশার বানী শুনবো না? লিখেছেন ডা. মো: কামরুল হাসান
দুর্বৃত্তদের ধর্মঘট করার সুযোগ দিয়ে কার্ডিয়াক রিং বাজার থেকে উধাও করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা এ দুর্নীতিগ্রস্ত বাণিজ্যিক সিন্ডিকেট পুনর্বহাল করতে পারে। লিখেছেন ডা. বাহারুল আলম
জরুরি ফোন করতে হবে, কিন্তু মুঠোফানের চার্জ শেষ। এদিকে গন্তব্যে পৌঁছাতেও অনেকটা সময় বাকি। চিন্তা নেই, মুঠোফানে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। কোনো তথ্য বা নম্বর টুকে রাখার দরকার। অথচ সঙ্গে কাগজ-কলম নেই। ভাবনা নেই, আছে খাতা ও কলমের
আমি আজ এ মঞ্চে উঠেছি আপনাদের এক মহাকাব্যের ভাষ্য শোনাতে, ইতিহাসের সাক্ষ্য দিতে, জগৎ-বিখ্যাত বিপ্লবের ইশতিহার জানাতে। লিখেছেন মারুফ রায়হান খান
ওষুধ প্রশাসনের বেধে দেয়া দামে সারা দেশে হার্টের রিং পরানো শুরু
জামাই বৌ দুজনেই ডাক্তার।দশ বছরের বিবাহিত জীবন।তারও তিন বছর আগের থেকে প্রেম।দুটো ফুটফুটে সন্তান আছে তাদের । এক মর্মস্পর্শী জীবনের কাহিনি। লিখেছেন ডা. নাসিমুন নাহার
আদিতমারীর তালু দুলালী গ্রামের জহিরন বেওয়া নারী সেবার এক উদার সাদা মনের নারী। গ্রামের পর গ্রাম ছুটে সেবা দেন এ বৃদ্ধা। গ্রামের কোনো নারী অসুখে ভুগলে তাকে হাসপাতাল বা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়াই তার একমাত্র কাজ।
ছিনেমা নায়িকার চোখের পানি থাকতে মমতা ময়ীর নির্মম পানির দরকার কি আছে? লিখেছেন ডা. মিথিলা ফেরদৌস
নববর্ষ উদযাপনের রীতি সারা বিশ্ব জোড়া। বাংলাই বা কম যাবে কেন? শুরু হল বাংলা নববর্ষ উদযাপন। শাশ্বত বাংলার জনপ্রিয় খাবার মুড়ি,মুড়কি,,বাতাসা,কদমা, গজা এগুলি দিয়ে বছর শুরু হল। শত শত বছর এভাবেই নববর্ষ পালন করা হয়েছে। লিখেছেন মেজর ড
পহেলা বৈশাখে প্রথম বারের মত মেলায় যাওয়া - সেই দিনটি কি আসলেই আলাদা কোন বৈশিষ্ট্যমন্ডিত,নইলে আজ ও ভুলতে পারছি না কেন? লিখেছেন ডা. শিরীন সাবিহা তন্বী
অনেক কর্মস্থলে নানা ধরণের অভিজ্ঞতা, স্মৃতি চিকিৎসকের জীবনে মণি - মাণিক্যের মত। তেমনি এক স্মৃতি চারণ : তিফারিদি,তোমাকে বিদায় । লিখেছেন মেজর ডা. খোশরোজ সামাদ
মামাতো বোন রানুর একদিনের আপ্যায়নে ছাত্র শহিদ বনে যায় চোর শহিদ। বিস্তারিত জানাচ্ছেন মোহাম্মদ মোহসিন, ওসি, বায়োজিদ বোস্তামি থানা, চট্টগ্রাম।
বললাম, আমি ভিজিট নেবো না, ওষুধ গুলো নিয়ম করে খাওয়ালেই আমি খুশি হবো। তারপর ...। জানাচ্ছেন ডা. রাজীব দে সরকার
বিদায় অমর শিল্পী কিশোরী আমানকর ; জীবনের ৮৪ বসন্তের আবীরে সংগীতকে প্রার্থনায় নিয়ে গেছেন যিনি। লিখেছেন মেজর ডা. খোশরোজ সামাদ
আমি একজন ক্রিকেটার। একটা জীবন কি বাঁচাতে পারি ? পারি না। একজন ডাক্তার সেটা পারেন। কই দেশের সবচেয়ে সেরা ডাক্তারের নামে তো কেউ একটা হাততালিও দেয় না। লিখেছেন মাশরাফি বিন মুর্তাজা
টিনের বেড়ার বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না। ভরসা শুধু কুপির আলো। তবে হার মানেননি। সেই আলোতেই পড়াশোনা চালিয়ে মাধ্যমিক পাশ করেছিলেন কমল।
কমপ্ল্যান, বর্নভিটা, হরলিক্স দিয়া হাড্ডি মাংস সবল করতে গিয়া "Milk injury" এর শিকার হয় বাচ্চারা।। থলথলে তুলার বস্তার মত বাচ্চা। । না আছে শক্তি, না আছে সাহস। । অনবদ্য লেখা ডা. সাঈদ সুজন-র।
"ছেলে হবে" শুনলে যতটা খুশী হতো, "মেয়ে হবে" শুনলে অনেকের মুখই অন্ধকার হয়ে যেতো। তাই আমি চেষ্টা করতাম গর্ভস্থ শিশুর "সেক্স" পারতপক্ষে না বলতে। লিখেছেন ডা. শাহাদাৎ হোসেন রোমেল
কিন্তু আসলে ঘটেছে কি ; সেটা সবাই কি জানি। নাকি চিলে কান নিয়েছে শুনে সবাই আদাজল খেয়ে বাজ পাখির পেছনে ছুটছি। লিখেছেন ডা. সুজন কাদেরী