ডা. তারিক রেজা আলীর লেখা মনের জানালাকে খুলে দেয়। তিনি লিখেছেন পিয়ারীর কথা। প্রার্থনা করেছেন , পিয়ারীর দু' মেয়েই যেন ভাল থাকে আজীবন, মায়ের যন্ত্রণা-গন্জনার জীবন যেন তাদের পোহাতে না হয়।
কিছু কিছু কাজ সত্যিই অনুপ্রেরনার। এসব কাজ জাগায় সমাজের আরও দশজনকে। এমন একটি অনুপ্রেরণাময় দৃশ্য নিয়ে লিখেছেন মোস্তাক আহমেদ । ঢকিা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি গুলশান। সমাজ বদলের অনুপ্রেরণার গল্প নিয়মিত প্রকাশ করে ডাক্তার প্রতিদি
রাত ৪ টা বাজে।ট্রেন তখন যমুনা সেতুর উপর।বাবা ফোন করল।বাবাকে বললাম আমি নেমে তোমাকে কল করব।বাবা বলল সাবধানে নেমো মা।লিখেছেন শিল্পী সেন
এমনিতে অসুখটি আদ্যন্ত নিরপেক্ষ -- পুরুষের বীরত্ব বা নারীর কমনীয়তার প্রতি পক্ষপাত হীন।লিখেছেন ডা. সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়
এখন সে জুনিয়র ভাইরাসদের ক্লাস নিতে পারে । এত অল্পবয়সে জেনেটিক মিউটেশনে পারদর্শীতা খুব সহজ কথা নয় । অনবদ্য এক লেখা ডা. অনির্বাণ বিশ্বাস-এর।
বিদায়ের বিষন্ন দিনকে তিনি বেদনা ভারাক্রান্ত রাখতে চান নি। বরং সহকর্মী , স্বজনদের হাসিমুখ দেখেই তিনি চাকুরি থেকে বিদায়ের আকাঙ্খা ব্যাক্ত করেন। জানাচ্ছেন তাওহীদ হাসান
অষ্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিলের যেসব গবেষকের নাম নোবেল পুরস্কারের মনোনয়নের জন্য তালিকায় রয়েছে ড. আবেদ চৌধুরী তাদের একজন।
এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির জন্য আমরা সকলে প্রস্তুত তো? লিখেছেন ডা. শিরিন সাবিহা তন্বী
চোখ মুছতে মুছতে যখন ইমরান কথাগুলো বলছিলেন, তখন চোখ ছল ছল করছিল অনেকেরই।
পাবনা জেলায় অভূতপূর্ব ঘটনা। জেলার শীর্ষ প্রশাসনিক পদে প্রথমবারের মতো একজন নারী।
পেশায় যেমন ডাক্তার; মূলত বিশ্ববরেণ্য লেখক তসলিমা নাসরিনের সর্বশেষ চিন্তা গুলো তুলে ধরছি পাঠকদের জন্য। বিশ্ব চিন্তায় তাঁর অবদান অনবদ্য।
"যদিও সেই তথাকথিত হোমিও ডাক্তার অস্বীকার করেছে তবে পরবর্তীতে বোঝা গেলো রোগী জানা এবং অজানা দুই পদ্ধতিতেই স্টেরোয়েড এর উপর ছিলেন " । অত:পর মৃত্যুর মুখোমুখি অভিজ্ঞতার শিকার এক ভুক্তভোগীর কথা লিখেছেন আসাদ শামস , সিডনী প্রবাসী
ঈমানকে নতুন জীবন দিচ্ছেন ডাক্তাররাই। যতই কসাই , গনশত্রু হিসেবে প্রোপাগান্ডা চালানো হোক না কেন , জীবনের শেষ বিকল্প ডাক্তাররাই।
মিঠামইন উপজেলার খাটখাল এলাকার কথাই যদি বলি, তাহলে হয়তো শহুরে একজন বিবেকবান নারী তাঁর চোখের জল ধরে রাখতে পারবেন না। লিখেছেন সুমিত বণিক
চমকে উঠবার মত প্রশ্নটি ছুঁড়ে দিয়েছেন সুলেখক ডা. অনির্বাণ বিশ্বাস। কিছু অনস্বীকার্য সত্যকে তুলে ধরেছেন। দিয়েছেন ভাবনার খোরাকও।
"উল্টাপাল্টা ডাক্তারদের দোষ দেই, কসাই বলে গালি দেই, ভাংচুর করি। এত প্রতিবন্ধকতার পরও তারা যে আমাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, আমার তো ডাক্তারদের মানুষ নয়, ফেরেশতা মনে হয়।" নির্জলা বয়ান সাংবাদিক প্রভাষ আমিনের ।
এই লেখাটি একজন পুলিশ কর্মকর্তার। তার নাম কাজী ওয়াজেদ। তিনি সচক্ষে দেখা অভিজ্ঞতার আলোকে ডাক্তার সম্পর্কে লিখেছেন অনবদ্য বয়ান।
"বিপদ!শাশুড়ির ননদের নামে দুর্নাম,করাই নাকি ফেসবুকের বিনোদন,সেইটা করতে পারিনি তাই একজন আমারে কিছুক্ষন আগে ত্যাগ দিয়েছেন।" লিখেছেন ডা. মিথিলা ফেরদৌস
বাংলাদেশে সি-সেকশনের হার উর্দ্ধমূখী। ২০০৪ সালে এই হার ছিলো বছরে মোট ডেলিভারীর ৫ শতাংশ, ২০০৭ সালে ৯ শতাংশ, ২০১১ তে ১৭ শতাংশ এবং ২০১৪ সালে ২৩ শতাংশ। লিখেছেন ডা. ইশতিয়াক মান্নান
বেসরকারী স্বাস্থ্য ব্যবসায়ীদের কারা ডেকে এনেছেন? পিজি থেকে গাঁ-গঞ্জের হাসপাতালে পাব্লিক প্রাইভেটের নামে সরকারী খরচের আঁচে যারা লাভের চপশিল্প খুলেছে- তাদের কে ডেকে এনেছে।লিখেছেন ডা. রেজাউল করীম