Ameen Qudir
Published:2019-07-01 21:04:40 BdST
সিজারিয়ান ডেলিভারির মারাত্মক সেই সময়ে ডাক্তার যুদ্ধক্ষেত্রের কমান্ডারের মত লড়ে যান
অধ্যাপক ডা. মুজিবুল হক
_____________________
আমি ২৫ বছর অন্তত: ধরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিক্যাল শিক্ষক। এর চেয়ে অনেক বেশী সময় ধরে চিকিৎসা শিক্ষার শিক্ষার্থী । যেমন পাঠ দিচ্ছি। তেমনি নিত্য নতুন যেসব তথ্য আসছে , তা গভীর আগ্রহে পাঠ করছি। আমি জানি সিজার নিয়ে কথাগুলো একেবারেই মিথ। হয়ত ডেলিবারেটও । এমন হয় না কখনো । সিজারিয়ান ডেলিভারির এই মারাত্মক সময় ডাক্তার যুদ্ধ ক্ষেত্রের কমান্ডারের মত। একটুও অসাবধানী ভুলে মৃত্যু। হঠাৎ ভুল হবার চেয়ে সামান্য বাধ্য বাধকতায়ও সিজার করা অনেক সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে রুগী পক্ষকে সমস্যার সঙ্গে প্রতি মুহুর্তে যুক্ত রাখা প্রয়োজন; যা করা হয় না। আর সেটা করা হলে ভুল বোঝা বুঝির অবকাশ থাকে না।
সারা পৃথিবী জুড়ে সিজার-এর হার বেড়েছে অনেক। আগের চেয়ে প্রায় ২০% বেশি।
বেশি বয়সে সন্তান নেয়া, তীব্র ব্যথার চাপ নিতে অনীহা, আর নানা যথার্থ মেডিকেল বাস্তবতা পশ্চিমা ধনী দেশের ক্ষেত্রে অন্যতম কারণ । এদেশে উচ্চবিত্তের ক্ষেত্রে একই কারণ।
আমাদের দারিদ্র্যের , যথাযোগ্য ডায়েট-এর অভাবে বাচ্চার কম ওজন , ১০/১২ ঘন্টা মায়েদের প্রেগন্যান্সির প্রয়োজনীয় চাপ বজায় না রাখতে পারার কারণে গর্ভস্থ বাচ্চার শ্বাসকষ্ট, ইত্যাদি বাচ্চাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। বাধ্য হয়ে সিজার অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে। সিজার হার বাড়ে।
১৯৯০এর দিকে জন্মের সময় শিশু মৃত্যু ছিল হাজারে১৫০এর মত, বর্তমানে তা নেমে এসেছে হাজারে ৩৪ জনে।অন্য নানা কিছুর সঙ্গে এতে সিজারেরও বড় ভূমিকা রয়েছে।
____________________________
