ভারতের নারায়ণা ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্ব খ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী প্রসাদ শেঠী বলেছেন, চিকিৎসার জন্য বিদেশযাত্রার হার কমানোর লক্ষ্য নিয়ে চট্টগ্রামে যাত্রা শুরু করেছে ৩৭৫ শয্যার বেসরকারি ইমপেরি
বিশ্ববরেণ্য হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠীর হাতে বানিজ্য রাজধানী চ্টগ্রামে চালু হল বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের পরিকল্পিত স্বাস্থ্য সেবালয় ‘ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল লিমিটেড’। কার্ডিয়াক সেন্টার পরিচালনা করবে ভারতের বিখ্যাত না
বুকে নির্যাতিত হওয়ার রক্তক্ষরণ, তবুও রোগী সেবা থেমে নেই। মহান পেশা । ঈশ্বরের মত সম্মানের পেশা। তাই ইস্তফা দিয়েও কাজে চিকিৎসকরা, বুকে কালো ব্যাজ পরেই চিকিৎসা।
“ওর মতো ছেলে হয় না। ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরুক। ডাক্তারি পড়তে গিয়ে এমন পরিণতি ভাবা যায় না। এর পর বাড়ির আর কাউকে ডাক্তারি পড়তে পাঠাব না।” কাঁদো কাঁদো গলায় এমনটাই জানালেন পরিবহ মুখোপাধ্যায়ের বউদি সুলেখা
ওপার বাংলার চিকিৎসকদের আন্দোলনে অচলাবস্থার দায় কার্যত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঘাড়েই চাপাল দিল্লীর কেন্দ্র সরকার । কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কলকাতার অভিভাবক ও নিরাপত্তাহীন ডাক্তারদের পক্ষ নিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুঁশিয়ারি
সেবা নিতে মহিলা রোগীদের এতোটাই ভিড় যে টিকিট দিতে অনেক সময় হিমশিম খেতে হয়। প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় সাতশ’ থেকে আট শতাধিক রোগী হয়।
ডা. ফাতেমা জোহরা লিখেছেন, "আপা,আপনার মেয়েকে তো মানসিক রোগের ডাক্তার বানাচ্ছেন,বিয়ে দিতে পারবেন তো?আমি তো আমার মেয়ের বিয়েই ভেংগে দিলাম ছেলে সাইকিয়াট্রিস্ট দেখে।ও পাগলের ডাক্তার, নিজেই পাগল সামলাতে অস্থির থাকবে,আমার মেয়েকে কিভা
কলকাতার হাসপাতালে একজন জুনিয়র ডাক্তারের ওপর হামলার জেরে ফুঁসে উঠেছে কলকাতা ও সারা পশ্চিমবাংলা। বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ , রাজনীতিক, লেখক, কবি, সংস্কৃতি কর্মী সবাই এখন ডাক্তারদের পাশে। নিন্দা করছেন সকলে। ডাক্তারদের মহান ভুমি
ধর্মের কলামে তালিকার প্রথমেই রয়েছে মানবধর্ম। হিন্দু, ইসলাম, খ্রিস্ট বা অন্য যে কোনো ধর্মকে বাদ দিয়ে মানবতাকে নিজের ধর্ম হিসেবে ঘোষণা করার সুযোগ পাচ্ছেন ছাত্রছাত্রীরা- যা অভিনব।
এই চিকিৎসক কোনও দিন কোনও রোগীকে ফেরাননি বলে দরাজ ‘সার্টিফিকেট’ দিয়ে রাখছেন এলাকাবাসীরাও। আর ভিজিট পাঁচ টাকাই।
শর্ট ফিল্ম পরিচালক, আলোকচিত্রী শাহরিয়ার সোহাগ চিকিৎসকদের প্রতিদিনের লড়াই নিয়ে অনন্য এক লেখা লিখেছেন। একটি ভিডিও চিত্রও ইনটারনেটে দিয়েছেন , যাতে দেখা যায় , চিকিৎসকরা কি অক্লান্ত পরিশ্রম করে মানুষের জীবন বাঁচাচ্ছেন। লিখলেন, "আম
সাংবাদিক , সমাজকল্যাণী লেখকদের পর এবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী ও রাজনীতিক রুমীন ফারহানা এবার চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়ালেন বিবেকের আহবানে।
ডা. সজল আশফাক লিখেছেন, উপবাস নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস বলেছেন, আমাদের প্রত্যেকের শরীরের মধ্যেই একজন ডাক্তার বসবাস করেন, আমাদের উচিত সেই ডাক্তারকে কাজ করতে দেয়া। এটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। তিনি আরো বলেছেন, খাবারই
"প্রচলিত সব প্রথা, ধ্যাণ ধারণা ও বিশ্বাসগুলো ভেঙে পড়ছে। মানব মৃতদেহ দাফনের বা ভস্মীভূত করার প্রথার বিকল্প হিসেবে অধিক পৃথিবী কল্যানী কর্মসূচি চালু হচ্ছে নানা দেশে। সাধারণ কবর দেয়ার বদলে এরকম মাটির সাথে মিশে যাওয়ার বিকল্প পদ
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রাকৃতিক মেডিসিনের আবিস্কারক তিনি। দীর্ঘ গবেষণায় তিনি এই মহৌষধ-এর সন্ধান দিলেন। এই বিজ্ঞানীর নাম ড. আবেদ চৌধুরী ।
দীর্ঘায়ুর জন্য কত ধর্ণা। কত হিল্লে । কত কসরৎ। সে সব কিছু দরকার নেই। ডাক্তারের জন্য লাইন দিতে হবে না। কোন টাকা খরচও দরকার নেই। শুধু এই ৬টি নিয়ম মানলেই হল। কেল্লা ফতে। ও হ্যাঁ, ৬টি বিধি দিয়েছেন বিশ্বের দীর্ঘায়ুর দেশ জাপানের এ
মেজর ডা. খোশরোজ সামাদ লিখেছেন, যতদিন বিধবাদের কান্নার অনুরনন থাকবে ততদিন তিনি সত্য। শুধু তত্ত্বই কপচান নি নিজপুত্রকে বিধবার সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন।মায়ের প্রতি তাঁর মমতা ছিল কিংবদন্তির মত।
এক মহাকাব্যিক ট্রাজেডি রচিত হয়েছিল এই মহান চিকিৎসককে ঘিরে। বিশ্বের চিকিৎসা বিজ্ঞানের অত্যাশ্চর্য যুগান্তরী কর্ম টেস্ট টিউব বেবী জন্ম দেয়ার পর নিজ পেশার মানুষের অবহেলা, হিংসা ও ঈর্ষার বলি হয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বিএসএমএমইউ, ঢাকা মেডিকেলসহ ৯৪টি হাসপাতালের ঠিকানা ও ফোন নাম্বার পাচ্ছেন এখানেই। এই প্রতিবেদনটি আপনি সংগ্রহে রাখতে পারেন। কখনও জরুরি প্রয়োজনে লাগতে পারে। আর শিরোনামটি মনে রেখে দরকারে গুগলে সার্চ দিলেও
শাহাদুজ্জামান, খায়রুল ইসলাম লিখেছেন, আজকের এই লেখায় শুধু মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রবাসী সরকারের নেয়া স্বাস্থ্য বিষয়ক আদি পর্বের উদ্যোগের কিছু তথ্যের কথা উল্লেখ করতে চাই, সেই সঙ্গে রাখতে চাই একটি প্রস্তাব। আমরা প্রতি বছর