স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই মাস পর ৫ হাজার, এবং এরপর আরো ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এই নিয়োগ সম্পন্ন হলে চিকিৎসক সংকট অনেকটা কমে আসবে।
আজ দিন ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। কিন্তু কক্সবাজার সদর হাসপাতালে গুন্ডাদের হামলার ঘটনা ও অব্যাহত ডাক্তার নির্যাতনের প্রতিবাদে দিনটি পরিনত হল : 'ডাক্তারদের নিরাপদ কর্মস্থল চাই' শ্লোগানমুখর আন্দোলন দিবসে।
জিহাদুলের মা জান্নাতুন আক্তার বলেন, জিহাদুলের রানে ক্যান্সার হয়েছে। যত দিন যাচ্ছে রান ফুলে যাচ্ছে। ছেলের রানসহ সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা। ব্যথায় ছেলেটা আমার সারাক্ষণ কান্না করে।
না খেয়ে মৃত্যুর হার বিশ্বে কমলেও খেয়ে মৃত্যু বেড়েই চলেছে। দুটো মৃত্যুই তাৎক্ষনিক নয়। যত খাওয়া ততই যেন মৃত্যুর দেবতা আজরাইল বা যমকে ডেকে আনা।
সদ্য প্রয়াত অধ্যাপক ডা. আ ন ম ফজলুল হক পাঠান -এর অনুপ্রেরণাদায়ী অসাধারণ লেখা।
আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর জন্য দরকার রক্ত। কিন্তু মেডিক্যাল কলেজের ব্লাডব্যাঙ্কে রক্ত নেই।
‘‘আপনি তো শুনেছি ডাক্তার, দিন কয়েক ধরে পেটে যন্ত্রণা হচ্ছে, একটু দেখবেন?’’
সিংগুলেট বিডিএস শুরুর মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা নিরাময়ের ক্ষেত্রে সারা পৃথিবীতে নেতৃত্বের আসন দখল করে আছেন ডা. টিপু আজিজ।
চিকিৎসা বিজ্ঞান সাহিত্যর অনন্য বাঙালি লেখক ডা. সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় এবার লিখেছেন লিভার, যকৃৎ এবং অন্যান্য....নিয়ে।
এটা হিউম্যান বডি। ডাক্তার হিউম্যান বডি নিয়ে কাজ করবেই।লিখেছেন ডা. সালাহউদ্দিন আহমেদ তরূণ
ট্রেনে একই পথ একই সময়ে যেমন সেকেন্ড ক্লাস, ৩ এসি, ২ এসি, এসি ফার্স্ট এ ও যাওয়া যায়, ভাড়ার তারতম্য অনেক, আরাম আয়েশে, সুবিধার ও।লিখেছেন ডা. সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়
প্রতি সপ্তায় জার্নাল ক্লাব হচ্ছে এখানে। দেশের উদীয়মান পরিপাকতন্ত্রের বিশেষজ্ঞরা থাকেন সেখানে। নিজ অভিজ্ঞতায় প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে জানান ডা. বি এম আতিকুজ্জামান
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার সেনাবাহিনীর গনহত্যায় এক ডাক্তার পরিবারেরই আটজন মারা গিয়েছিলেন। সেই পরম আত্মত্যাগী শহীদ পরিবার হল ডা. দীগেন্দ্র চন্দ্রের।
রোগী সেবা ও মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর স্বাধীনতা পদক পুরস্কার পেয়েছেন দুইজন লোকসেবী চিকিৎসক।
এমন স্ববিরোধিতা আর বৈপরীত্য দেখে স্রষ্টার আসনে বসে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও বোধ করি কষ্টের হাসি হাসেন! লিখেছেন ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ
আমরা রোগীদের সাবধান করছি, ওষুধের মেয়াদের জায়গায় কাটাকুটি করা; কিংবা ওপরে আবারও স্টিকার লাগানো , নতুন দাম লাগানো ওষুধ কিনবেন না। এ ব্যপারে ক্রেতাদের সচেতন হতে হবে। লিখেছেন ডা. সুলতানা এলগিন
আমরা যেমন একজন শিক্ষার্থী বা পথচারীর শোকার্ত সড়ক-মৃত্যু দেখতে চাই না। তেমনি এমন সড়কে পাখির ভঙ্গিতে উড়ন্ত চলাও দেখতে চাই না। সড়ক নিরাপত্তার আন্দোলনের সঙ্গে এসব আত্মঘাতী চলা বন্ধের আন্দোলন করতে হবে। লিখেছেন ডা. সুলায়মান আহসান স
এভাবেই একটি সমাজ এগিয়ে যায়। বিভক্ত মানুষ এক হয়ে যায়।ডা. গুলজার হোসেন উজ্জ্বল
কোনো মাইকেল ব্রায়ান্ট সড়কে কোনো মৃত্যুর দায় নিয়ে বলবে না- "He was a human being and he lost his life and that's something I can't undo and can't go back “ লিখেছেন শওগাত আলি সাগর
হিন্দু মহিলার কিডনি পেয়েছেন এক মুসলমান পুরুষ। আর মুসলমান মহিলার কিডনিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন এক হিন্দু ব্যক্তি। দু’জনেই একই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।