চিকিৎসা মানবতার আবারও এক অনন্য নজির। এ ধরণের খবর ও উদ্যোগ এগিয়ে দেয় সভ্যতাকে। অগ্রসর করে আমাদের চেতনাকে। জীবনের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে আবারও চিকিৎসকদের সঙ্গে হাত মেলাল পুলিশ বিভাগও। তাদের মেলবন্ধনে বাঁচল একটি প্রাণ।
" আল্লাহ মাঝে মাঝে ডাক্তাররূপে ফেরেস্তাদের পাঠান।" বাংলাদেশের ডাক্তারদের সম্পর্কে এমন অভাবিতপূর্ব কমপ্লিমেন্টস দিলেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন চলচ্চিত্রকার, নাট্যজন, নাট্যকার , স্থপতি ও সাংবাদিক শাকুর মজিদ। তিনি ন
সেবাস্তিয়া ও তার স্ত্রী লেলেয়া ডেলুইজ । স্বামী সাংবাদিক। স্ত্রী স্বাস্থ্যসেবাকর্মী। তারা অনন্য অসাধরণ কাজ করেছেন। বিস্তীর্ণ পাহাড় ও এর উপত্যকার কোথাও ছিল না গাছের ছায়া। এমনকি ঘাস বা লতাপাতার ঝোঁপঝাড়ের অস্তিত্ব টুকুও ছিল না। ক
মেজর ডা.খোশরোজ সামাদ লিখেছেন, ক্যারাবিয়ান দেশগুলিতে এই বিষয়টি চিকিৎসকরা প্রথম নির্ণয় করেন।ভারতেও এই ঘটনার অসংখ্য প্রমাণ মিলেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে এই ঘটনা ঘটে যাওয়ায় সর্বসাধারণের মানুষ সচকিত হয়ে উঠেছেন।
নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারের প্রখ্যাত চিকিৎসক ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন মেধাবী শিক্ষার্থী ডা. সিনহা মনসুর বিস্ময়ভরে লিখেছেন এক দীর্ঘ লেখা। অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে আজ!লেখাটি প্রকাশ করা হল।
উপমহাদেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক ও লেখক অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী লিখেছেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানে অনেক উন্নত প্রযুক্তি , অনেক নতুন ওষুধ বেরিয়েছে , জীবনের প্রান্তিক পর্যায়ে অনেক অসুখে এদের প্রয়োজন হয়ত পড়ে , যারা সাধারন মানুষ , মধ্যবিত্ত
জেলখানায় অজ্ঞাত কারণে রোগী মারা যাচ্ছিল। কেন, তা জেল কর্তৃপক্ষ জানত না। সেই রোগীদের জীবন দান করতে স্বেচ্ছায় সশ্রম কারাদন্ড নিয়ে জেলে ঢুকলেন এক মহান ডাক্তার। কখনও কখনও সত্য কল্পনার চেয়েও মহান । সেই সত্য কাহিনি।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার কথিত হাসপাতাল অভিযান নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করেছিলেন বাংলাদেশের একজন শীর্ষ চিকিৎসক ও সুবিদিত বিশেষজ্ঞ ডা. রেজাউল করিম। সে জন্য তাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয় চিকিৎসা-পরিবেশহীন হ
বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ডা. মুজিবুল হক লিখেছেন, ১৯৯০এর দিকে জন্মের সময় শিশু মৃত্যু ছিল হাজারে১৫০এর মত, বর্তমানে তা নেমে এসেছে হাজারে ৩৪ জনে।অন্য নানা কিছুর সঙ্গে এতে সিজারেরও বড় ভূমিকা রয়েছে।
ডা. অসিত বর্দ্ধন লিখেছেন , সিজারিয়ান সেকশান এমন একটা ছুরি যার দুইদিকেই ধার আছে, করলেও কাটে , না করলেও কাটে। রোগীকেও কাটে, ডাক্তারকেও কাটে। হাইকোর্টে একটা রিট হয়েছে অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধ করার জন্য। জনমনে একটা ধারনা আছে, যে সিজ
ডাঃ আজাদ হাসান লিখেছেন, Civil Surgeon পদটি স্বাস্থ্য বিভাগের জেলা পর্যায়ের একটি প্রশাসনিক পদ, তাই এই পদবীটির নাম পরিবর্তন করে "District Health Administrator" বা "জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক" রাখাটা অধিকতর যুক্তিসংগত হবে বলে মনে কর
উপমহাদেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক ও লেখক অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী লিখেছেন , একজন ডাক্তারের জীবন। যখন একজন ভাইরাল জ্বরের রোগী দেখেন তখন তিনি অবশ্য ভাইরাসের মুখোমুখি হন যখন সন্তান প্রসব করান তখন গর্ভবতী মায়ের অজান্তে হলেও তার ছিটকে
তিনি মরণাপন্নকে নতুন জীবন দিতে পারতেন। মৃতবৎকে বাঁচাতে পারতেন। চিকিৎসা পদ্ধতি ছিল সহজ সরল। ডাক্তারি টেকনিক্যাল ওষুধ দিতেন কম। মনকে জয় করতেন বেশী। প্রয়োগ করতেন নানা কল্যাণী চাল।
পরিবারের আর্থিক অবস্থার হাল শোচনীয়, তাই একসময় বাধ্য হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে কলা বিক্রিও করতে হয়েছে তাঁকে। এইভাবেই চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। পাশ করেছেন ডাক্তারি। তারপর কত শোক, ছেলে হারানোর বেদনা, নানা চড়াই উৎরাইয়ে দমে যান নি মানু
মানবসেবী চিকিৎসক পরোয়া করেন না ঝড় বৃষ্টি বাদলের। পরোয়া করেন না নিজের মৃত্যু ঝুঁকির। তেমনই অকুতোভয় ডা. কফিল খান।
বিশ্বব্যপী নানা বিতর্ক ও বিরোধিতার মাঝে মৃতকে জীবিত করার গবেষণা এগিয়ে নিচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের প্রতিষ্ঠান বায়োটেক দীর্ঘদিন ধরেই মৃত মানুষকে জীবিত করতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে আ
ডা. কফিল খান হাসপাতালে দরকারি অক্সিজেন না পেয়ে নিজের পকেটের টাকায় রোগীদের বাচান। শিশুদের জীবনে ঈশ্বরের মত আসেন। সেই ঘটনায় উল্টো ড. কাফিল খানকে সাসপেন্ড করে প্রশাসন।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। আন্তর্জাতিক বেনিয়াদের প্ররোচনায় বাংলাদেশ , ভারতবর্ষ জুড়ে যখন ডাক্তারদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, হামলা , আহত নিহত করার নানা ঘটনা: তার মাঝেও নিরলস মানবসেবা করে চলেছেন অসংখ্য নিবেদিত প্রাণ চিকিৎসক। সেরা মেডিকেল
চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি চিকিৎসা গবেষণাতেও নয়া দিশা দিলেন বাঙালি চিকিৎসক গবেষকগন। রেশম দিয়ে কৃত্রিম ধমনি! এমনই যুগান্তকারী ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছেন তারা।
গোটা ভারতবর্ষ ও উপমহাদেশের রাষ্ট্রগুলোয় চিকিৎসক নিগ্রহ একটা গুরুতর সমস্যা। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই এবার চিকিৎসক সুরক্ষায় কড়া আইন আনার উদ্যোগ নিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. হর্ষবর্ধন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও অবহ